হ্যাকাররা নানাভাবে স্মার্টফোন হ্যাক করছে। প্রযুক্তি যত উন্নত হচ্ছে সেই সাথে হ্যাকারাও নতুন নতুন উপায় বের করছে প্রতারণা করার। ফোন হ্যাক করে ছড়িয়ে দিচ্ছে ম্যালওয়্যার ও ভাইরাস। এরপর ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করছে। সেসব তথ্য দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। 

চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কিছু বিষয় যা আপনার নিজের স্মার্টফোনটি হ্যাকারাদের হাত থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করবে-

ফোন হ্যাক হয়েছে কিনা বুঝবেন যেভাবে:

কিছু লক্ষণ:

  • ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া: অস্বাভাবিকভাবে ব্যাটারি দ্রুত শেষ হওয়া হ্যাকিংয়ের লক্ষণ হতে পারে। কারণ, হ্যাকিংয়ের জন্য ব্যাকগ্রাউন্ডে ম্যালওয়্যার চালু থাকে।
  • ফোন গরম হওয়া: ব্যবহার না করলেও ফোন অস্বাভাবিকভাবে গরম হলে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে।
  • অস্বাভাবিক কার্যকলাপ: আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে অস্বাভাবিক লেনদেন, অজানা নম্বরে কল, অজানা মেসেজ, অ্যাপের অস্বাভাবিক ব্যবহার হ্যাকিংয়ের লক্ষণ হতে পারে।
  • ফোনের রেসপন্স ধীর হওয়া: হ্যাকিংয়ের কারণে ফোন ধীর গতিতে কাজ করতে পারে।
  • অজানা অ্যাপ: আপনার ফোনে অজানা অ্যাপ ইনস্টল থাকলে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে।
  • ডেটা খরচ বৃদ্ধি: অস্বাভাবিকভাবে ডেটা খরচ বৃদ্ধি হলে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে।
  • কল রেকর্ডিং: আপনার অনুমতি ছাড়া কল রেকর্ডিং হলে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে।
  • স্ক্রিন অদ্ভুতভাবে কাজ করা: স্ক্রিন নিজে থেকে স্পর্শ করলে বা অদ্ভুতভাবে কাজ করলে হ্যাকিংয়ের আশঙ্কা থাকে।

কিছু পদক্ষেপ:

  • ফোন লক রাখা: সবসময় পিন, প্যাটার্ন বা ফেস আইডি দিয়ে ফোন লক রাখুন।
  • অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: একটি ভালো অ্যান্টিভাইরাস অ্যাপ ব্যবহার করে ফোন স্ক্যান করুন।
  • অনুমোদন নিয়ন্ত্রণ: অ্যাপগুলোর অনুমোদন নিয়ন্ত্রণ করুন। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপের অনুমোদন বন্ধ করুন।
  • পাসওয়ার্ড পরিবর্তন: সব অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন। শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।
  • অফিসিয়াল অ্যাপ ব্যবহার: শুধুমাত্র গুগল প্লে স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করুন।
  • ফোন রিসেট: সবকিছু ব্যর্থ হলে ফোন রিসেট করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *